শত্রু ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা থেকে কোনো একটি নির্দিষ্ট জায়গাকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব এই ক্ষেপণাস্ত্ররোধী বলয়ের মাধ্যমে। শত্রুপক্ষের বিমান, ড্রোন কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র এলাকায় ঢোকার আগেই তাকে রাডার দিয়ে চিহ্নিত করে পাল্টা স্বয়ংক্রিয় ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করবে এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
নতুন ব্যবস্থায় এক মুহূর্তেই ধ্বংস করে ফেলা সম্ভব শত্রুপক্ষের বিমান, ড্রোন, এমনকি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রকেও।
ঠান্ডাযুদ্ধের সময় সম্ভাব্য রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হানা থেকে দেশের রাজধানীকে বাঁচাতে ‘ক্ষেপণাস্ত্র সুরক্ষা বলয়’ তৈরির কথা প্রথম ভেবেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান। কয়েক বছর পর ওয়াশিংটনকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল এই সুরক্ষা বলয়, যাকে ‘মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম’ নামেই চিহ্নিত করেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। ওয়াশিংটনে প্রথম শুরু হলেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখন দুর্ভেদ্য রাখা হয়েছে মস্কো, ইসরাইলের শহরগুলোকেও। সেই এলিট আধুনিক প্রতিরক্ষা বলয় এখন নয়াদিল্লিকেও রক্ষা করবে।
ন্যাশনাল অ্যাডভান্সড সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম-২ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষায় ত্রিমাত্রিক রাডার সংযুক্ত রয়েছে। আকাশে একই সময়ে একাধিক হামলা ঠেকাতে পারে এই প্রযুক্তি।
এটি স্বল্প ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও তার উৎক্ষেপণস্থল চিহ্নিত করতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই স্তরের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে।
জানা গছে, আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি ২ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র থেকে দিল্লি ও মুম্বইয়ের মতো শহর রক্ষায় মোতায়েন করা হবে।
আর ন্যাশনাল অ্যাডভান্সড সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম-২ দিয়ে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান ও ড্রোন মোকাবিলা করা হবে।
একইসঙ্গে ভারত চলতি বছরের শেষ দিকে রাশিয়ার কাছ থেকে ট্রায়াম্ফ এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাসহ পাঁচ ধরনের অস্ত্র কিনতে ৩৯ হাজার কোটি রুপির চুক্তি স্বাক্ষর করতে চায়।


Post A Comment: