সোয়াট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের আরেকটি অভিজাত কৌশলী ইউনিট যা ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশেষ অস্ত্র ও কৌশল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার অধীনে পরিচালিত হয়।

আমেরিকার সোয়াট টিমের আদলে, তাদেরই অর্থায়নে, তাদেরই ট্রেনিংয়ে এবং তাদেরই সব ইক্যুইপমেন্টে সজ্জিত হয়ে বাংলাদেশেও যাত্রা শুরু করে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স টিম- সোয়াট।
বাংলাদেশ পুলিশের সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টিম - সোয়াট'স

ধরণ 

ছোটো দল, পুরোপুরি উদ্ধার অভিযান কেন্দ্রীক। যেসব সংস্থায় সশস্ত্র উদ্ধারকাজ দরকার হতে পারে, তেমন সব সংস্থার জন্য একই ধরনের একটা করে টিম গঠন করে দেয়া হয়। এই টিমগুলোর ট্রেনিং একই রকম, সামান্য এদিক সেদিক। কিন্তু তারা থাকে লোকালাইজড সংস্থার সাথে। যেমন, এফবআই’র নগরভিত্তিক প্রতিটা অফিসে, পুলিশের প্রতিটা বড় ইউনিটে ছোট একটা করে সোয়াট টিম, কোস্টগার্ড, বর্ডারগার্ড, কাস্টমস, ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন- সর্বত্র।

ইতিহাস
২০০৮ সালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বাছাই করা ২৪ জনের একটি টিমকে বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য আমেরিকা পাঠানো হয়।শুরুতে এর সদস্য ছিল ২৪ জন। বর্তমানে সোয়াট টিমের জনশক্তি ৫০ জন রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে আমেরিকার পক্ষ থেকে এই টিমের জন্য প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের অত্যাধুনিক অস্ত্র, গুলি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মূল্যবান সরঞ্জাম দেয়া হয়। দেশে ফিরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা সোয়াট নামে গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করে। গোয়েন্দা পুলিশের সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টিম।

উদ্দেশ্য সোয়াট গঠন করা হয়েছে মূলত বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ মোকাবিলার জন্য। যেখানে মুখোমুখি গুলিবিনিময় থেকে শুরু করে নানা ধরনের ঝুঁকি থাকে। এই টিমকে পৃথক একটি ব্যাটালিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবেই এর শক্তি বাড়ানো হচ্ছে।  


প্রশিক্ষণ 

সোয়াট টিমের সব সদস্য এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র স্টেট ডিপার্টমেন্টের এন্টি টেররিজম অ্যাসিসট্যান্ট প্রোগ্রামের আওতায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। ট্রেনিংয়ে এ পর্যন্ত জনপ্রতি ২৮ লাখ টাকা করে খরচ হয়েছে। কারো কারো পেছনে খরচ হয়েছে ৫৬ লাখ করে টাকা। এর পুরোটাই দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ধরনের প্রশিক্ষণের জন্য শারীরিক সক্ষমতার দিকটি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ধরনের প্রশিক্ষণের জন্য শারীরিক সক্ষমতার দিকটি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
নিয়োগ প্রক্রিয়া 

খুবই কঠোরভাবে এখানে নিয়োগ দেয়া হয়। সোয়াট টিমের সদস্য হতে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য হতে হবে।কন্সটেবল, সাবইন্সপেক্টর অথবা বিসিএস পাস করা এএসপি এবং তদোর্ধ্ব পুলিশ অফিসারগণ পুলিশের এই বিশেষ বাহিনীর সদস্য হতে পারে। 

শারীরিক কঠোর পরিশ্রমের উপর বিশেষ নজর দেয়া হয়। শারীরিকভাবে অত্যন্ত ফিট, বুদ্ধিমত্তায় দ্রুত এবং স্থিতধী মস্তিষ্কের, অস্ত্রচালনায় পারদর্শিতা - ইত্যাদি গুণাবলী দেখে SWAT এ সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে।

বিশেষায়িত অস্ত্র 

মার্কিন সোয়াট ও মেরিন স্ট্যান্ডার্ডের সব অস্ত্র।
⇰ Glock 17
⇰ SR-25
⇰ Type 56
⇰ BD 08
⇰ M4 carbine
⇰ Taraus SMT 9
⇰ ST.Kinetics CPW 
⇰ Colt 9mm SMG 
⇰ Kriss Super V 
⇰ Remington 870

⇰ BATT X Vehicle


Share To:

K. Nayeem

Post A Comment: