যুদ্ধের ইতিহাসে বিশেষ বাহিনীর অনেক ঘটনা উল্লেখ্য আছে। এরা প্রচলিত যুদ্ধের পরিবর্তে গোপন অপারেশনগুলিতে বিশেষজ্ঞ। ইতিহাসে ঘাটলে দেখা যায় রোমানরা স্কাউটিং এবং কমান্ডো অপারেশনগুলির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সৈন্যদের সাথে ছোট, দ্রুত, ছদ্মবেশী জাহাজ ব্যবহার করত।
তারপর, ক্রুসেডের যুদ্ধের সময়, মুসলমানরা অনেক ছদ্মবেশী জাহাজ নিয়োজিত করে শ্ত্রুদের জাহাজে প্রবেশ করে আক্রমণ চালাত। তারপর জাপানে নিনাজকে একটি বিশেষ বাহিনী হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যা গুপ্তচরবৃত্তির জন্য এবং বিশেষ অপারেশনের জন্য ব্যবহার করা হত।
চলুন জানা যাক এখনকার বিশ্বসেরা কতগুলো স্পেশাল ফোর্সের গল্প।
১৫. এসএসজি – পাকিস্তান
এছাড়াও ট্রেনিং বেজ এ বিদেশী বিভিন্ন স্পেশাল ফোর্সের সাথে মিলে কাজ করার কারণে বর্তমানে এসএসজি শক্তিশালী একটি স্পেশাল ফোর্স হয়ে উঠেছে। এসএসজি এর ছয়টি কোম্পানি আছে, প্রতিটি কোম্পানিতে আছে স্পেশালাইজড ইউনিট যারা মরুভূমি, পর্বত, রেঞ্জার ও আন্ডার ওয়াটার যুদ্ধে পারদর্শী। এসএসজি কে ব্লাক স্টোরক্স “Black Storks” নামেও ডাকা হয়। সাহসিকতার জন্য এরা বিখ্যাত। জঙ্গিদমন, পণবন্দিদের উদ্ধার, আচমকা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে লড়াইয়ের জন্য তৈরি থাকে এরা।
১৪. মার্কোস – ভারত
মার্কোস হল ভারতীয় মেরিন কমান্ডোদের বাহিনী। জলে-স্থলে জঙ্গি হানা রুখতে এই বিশেষ বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছে৷ ১৯৮৭ সালে এই বাহিনীর জন্ম। মার্কোস এর ট্রেনিং হল বিশ্বের অন্যতম দক্ষতাসম্পন্ন এক বিশেষ ধরণের ট্রেনিং। এই ট্রেনিং এ কমান্ডোদের মানসিক ও শারীরিক ক্ষিপ্রতা বাড়িয়ে তোলা হয় নিখুঁত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে।
বিভিন্ন প্রশিক্ষণের জন্য ভারতীয় মার্কোস আন্তর্জাতিক স্পেশাল ইউনিটগুলোর সাথে যুক্ত থাকে। সন্ত্রাসীরা মার্কোসকে দাড়িওয়ালা ফুজি নামে ডাকে তাদের ছদ্মবেশের কারণে।
১৩. জিআইএস – ইতালি
স্পেশাল ইন্টারভেনশন গ্রুপ বা গ্রুপো ডি ইন্টারভেনটো স্পিসিয়াল ১৯৭৮ সালে ইটালিয়ান সামরিক পুলিশের অধীনে একটি সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট রূপে গঠিত হয়। এরপর থেকে এই ইউনিটটি বহু জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ দমন অপারেশনে অংশ নেয় এবং দেশে উচ্চ পর্যায়ের মর্যাদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।
ইতালির জিআইএস নিখুঁত স্নাইপিং এর জন্য নামকরা। এখানে স্নাইপার টিম সাধারণত মাশার 86 এসআরএস দ্বারা সজ্জিত দুটি স্নাইপার দ্বারা গঠিত হয়। বর্তমানে এই বাহিনীতে আছে ১০০-র বেশি জওয়ান।
১২. জিআইজিএন – ফ্রান্স
১৯৭৩ সালে ফ্রেঞ্চ সশস্ত্র বাহিনীর একটি স্পেশাল অপারেশন ইউনিট হিসেবে GIGN বা জেন্ডার্দারি ইন্টারভিউ গ্রুপ গঠিত হয়েছিল। ১৯৭২ সালে মিউনিখের গণহত্যার ও এরও এক বছর আগে ক্লেয়ারওয়েতে জেলে বিদ্রোহের পর ফরাসী সরকার একটি বিশেষায়িত বাহিনীর প্রয়োজন বোধ করে এবং যার ফলস্রুতিতে আজকের এই জিআইজিএন স্পেশাল ইউনিট।
মূলত জঙ্গি দমন ও পণবন্দিদের উদ্ধারের জন্য এদের বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হয়। যে কোনও ভয়াবহ হামলার জবাব দিতে তৈরি থাকে এরা। বিশ্বের যে কোনও জায়গায় গিয়ে পণবন্দিদের উদ্ধার করে আনার ক্ষেত্রে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়। ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর, মালির বামাকোর নামের এক হোটেলে আল-কায়েদা জিম্মি পরিস্থিতি তৈরী করে। সেখানে ৫০ জনের একটি জিআইজিএন এর একটি দল প্রেরণ করা হয় এবং তারা সফলতার সাথে অপারেশনটি শেষ করে। জিম্মিদের উদ্ধার করে। পণবন্দী উদ্ধারে জিআইজিএন বিখ্যাত।
১১. ইকো কোবরা – অস্ট্রিয়া
ইকো কোবরা অস্ট্রিয়ার জঙ্গি-দমনকারী ইউনিট। এটি অস্টিয়ার ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন আধা-স্বায়ত্তশাসিত একটি সংস্থা । ১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে হামলার পর ১৯৭৮ সালে ইকো কোবরা গঠন করে অস্ট্রিয়া। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনে অংশ নিয়েছে এরা। জঙ্গি দমন, পণবন্দী উদ্ধারে বিশেষজ্ঞ এরা। ইকো কোবরা এমন একটি ইউনিট যারা আকাশে থাকাকালীনই একটি বিমানকে হাইজ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচিয়েছিল।
জার্মান কাউন্টার-ট্যারোরিজম এবং স্পেশাল অপারেশন ইউনিট হিসেবে ১৯৭৩ সালের ১৭ই এপ্রিল সীমান্ত সুরক্ষা গ্রুপ 9 বা জিএসজি 9 চালু করা হয়। এক বছর আগে ১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিক চলাকালীন ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসীদের হাত থেকে ইসরায়েলি পণবন্দিদের মুক্ত করতে ব্যর্থ হয় জার্মান পুলিশ৷ তখন এই বিশেষ কমান্ডো পুলিশ বাহিনী সৃষ্টির পরিকল্পনা নেওয়া হয়। অপহরণ, সন্ত্রাসী আক্রমণ বা বোমা সরানোর কাজে জিএসজি-৯ স্কোয়াডকে নিয়োগ করা হয়৷ তবে বিশেষ বিশেষ উপলক্ষ্যে কোনো স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও তারা মাঠে নামে৷ ২০০৭ সালে জি-এইট গোষ্ঠীর শীর্ষবৈঠক অনুষ্টিত হয় উত্তর জার্মানির হাইলিগেনডাম সৈকতাবাসে৷ সেখানে উপকূল পাহারা দেয় জিএসজি-৯৷
জিএসজি-৯ স্কোয়াডের অধিকাংশ অভিযানই গোপনীয়৷ তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই বিশেষ বাহিনী ১,৯০০-টিরও বেশি অভিযানে অংশগ্রহণ করেছে৷ গোষ্ঠীর প্রধান কার্যালয় জার্মানির সাবেক রাজধানী বন শহরের কাছে সাংক্ত্ আউগুস্তিনে৷
৯. জেডব্লিউ গ্রোম- পোল্যান্ড
জেডব্লিউ গ্রোম বাহিনী পোল্যান্ডে ১৯৯০-এর ১৩ জুলাই গঠন করা হয়। এরা পোল্যান্ডের শ্রেষ্ঠ বিশেষ বাহিনী। জঙ্গি হামলার আশঙ্কাতেই তৈরি করা হয়েছিল এই বিশেষ বাহিনী। তবে শুধুমাত্র জঙ্গি-দমন নয়, যে কোনও ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধারের কাজে তৈরি থাকে এরা।
৮. সায়েরেট ম্যাটক্যাল– ইসরায়েল
সায়েরেট ম্যাটক্যাল ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিট। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল এয়ার সার্ভিস এর আদলে ১৯৫৭ সালে সায়েরেট ম্যাটক্যাল প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৫৭ সালে পালমাস যোদ্ধারা ( পালমাস ইহুদী সম্প্রদায়ের গোপন বাহিনী ) ইসারাইলি ডিফেন্সের কাছে আবেদন করে একটি স্পেশাল ইউনিট খোলার জন্য।
যারা শত্রুপক্ষের হাতে দখল হওয়া জায়গা পুনরদ্ধার করবে, গোপন মিশনে পারদর্শী হবে। তারই ফলাফল স্বরুপ গঠন করা হয় সায়েরেট ম্যাটক্যাল। এই বাহিনীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো গোয়েন্দা কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে কম্ব্যাট অপারেশন পরিচালনা করা। শত্রুপক্ষের একেবারে ভেতরে গিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে এ বাহিনী দক্ষ। চিকিৎসক ও সাইকোলজিস্টদের মাধ্যমে এ বাহিনীর সদস্যদের বাছাই করা হয়।
৭. জেটিএফ২- কানাডা
যৌথ টাস্ক ফোর্স ২ (জেটিএফ ২) কানাডীয় বিশেষ বাহিনী, ১৯৯৩ সালে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অপারেশনের জন্য এর যাত্রা শুরু হয়। JTF2 গঠনের পর থেকে অনেক মিশনে জড়িত ছিল, কিন্তু সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি ২০০১ সালে আফগানিস্তান যুদ্ধ এবং ২০০৬ সালে ইরাক যুদ্ধ।
আফগানিস্তানে তাদের অপারেশন এতটাই গোপন ছিল যে তৎকালীন কানাডীয় প্রধানমন্ত্রীও এ ব্যাপারে অবগত ছিল না যে তার বাহিনী কোথায় কি করছে। জেটিএফ২ উন্নত সব আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত এক বাহিনী। যে কোন অপারেশনে তারা সেরা।
৬. স্পেশাল এয়ার সার্ভিস রেজিমেন্ট – অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ান স্পেশাল এয়ার সার্ভিস রেজিমেন্ট বিশ্বের অত্যন্ত উচ্চতর বিশেষ বাহিনীগুলির মধ্যে একটি। এটি অস্ট্রেলিয়া সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিট। ১৯৫৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
মূলত, এটি বিভিন্ন গোপন মিশন পরিচালনা, নজরদারি এবং সাথে সাথে সরাসরি কম্ব্যাট মিশনের জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কিন্তু এখন, SASR শান্তিরক্ষা ও বিদেশে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কার্যক্রমের সাথে জড়িত।
৫. ডেল্টা ফোর্স -USA
ডেল্টা ফোর্স ১ম স্পেশাল ফোর্স অপারেশনাল ডিটেকমেন্ট ডেল্টা (প্রথম এসএফওডি-ডি) নামেও পরিচিত। এটি একটি মার্কিন সেনাবাহিনী ইউনিট যা সন্ত্রাসবাদ, জিম্মি উদ্ধার এবং টপ প্রোফাইল টার্গেটদের দমনের জন্য কাজ করে।
১৯৭০ সালে আমেরিকায় সন্ত্রাসী হামলার পর ১৯৭৭ সালে ডেল্টা ফোর্স গঠন করা হয়েছিল। এটি এখন আমেরিকার গোপনতম একটি বাহিনী। শুধু জঙ্গি হামলার মোকাবিলাই নয়, দেশের জন্য যে কোনও ধরনের অভিযানে অংশ নিতে সক্ষম এই বিখ্যাত ডেলটা বাহিনী।
৪. আলফা গ্রুপ– রাশিয়া
পৃথিবীর সেরা এলিট ফোর্স গুলোর মধ্যে রাশিয়ার অবস্থান যে প্রথম সারিতে আসবে সেটাই তো স্বাভাবিক। রাশিয়ান স্পেশাল ফোর্সের নাম আলফা গ্রুপ। এই এলিট ফোর্সটি পৃথিবীর অন্যতম ভয়ানক ফোর্স। ১৯৭৪ সালে সোভিয়েত কেজিবি আলফা গঠন করে।
১৯৮৫ সালে চার জন সোভিয়েত কূটনীতিকে জিম্মি অবস্থা থেকে উদ্ধার করার মাধ্যমে আলোচনায় আসে।। ভয়ংকর প্রতিহিংসা পরায়ণতা ও হৃদয়হীন ভাবে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য তাদের পরিচিতি রয়েছে। ২০০২ সালে মস্কো থিয়েটারে জিম্মিদের উদ্ধারকালে জঙ্গিদের প্রতিহত করতে রাসায়নিক গ্যাস ব্যবহার ও এর ফলে ১২৯ জন জিম্মির মৃত্যুর ফলে আলফা গ্রুপ তীব্র নিন্দার সম্মুখীন হয়।
৩. শায়তেট 13-ইসরায়েল
শায়েতেত ১৩ ইসরায়েলের অন্যতম ঝানু স্পেশাল ফোর্স। ইসরায়েলের অন্যান্য ফোর্সের থেকে এরা বেশি ভয়ঙ্কর ও দক্ষ। শুধু ইসরায়েল না সারা বিশ্বে এরা অনেক ভয়ঙ্কর ও দক্ষ স্পেশাল ইউনিট হিসেবে পরিচিত। ইসরায়েল এ আরো তিনটি এলিট ফোর্স রয়েছে কিন্তু এদের মধ্যে শায়েতেত ১৩ সন্ত্রাস দমনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।
জঙ্গি দমন, পণবন্দী উদ্ধার, জল-স্থল যেকোন জায়গায় কম্ব্যাটে পারদর্শী এই বাহিনী। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অপারেশন ছিলো “স্প্রিং অব ইয়ুথ”। যারা ১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে ইসরায়েলী ক্রীড়াবিদদের আক্রমণ করে প্রতিশোধ স্বরূপ এই অপারেশন এ তারা সেই ‘ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর’ এর সদস্যদের আক্রমণ করে।
২. নেভি সিলস- যুক্তরাষ্ট্র
জলে-স্থলে স জায়গায় লড়াইয়ে বিশেষ পারদর্শী যুক্তরাষ্ট্রের এলিট বাহিনী নেভি সিল। মার্কিন নৌবাহিনীর চৌকষতম দল নেভি সিল। ১৯৬২ সালে গঠন করা হয় মার্কিন নৌবাহিনীর এই স্পেশাল ইউনিট। কিন্তু অনেকের মতে নেভি সিলস এর আগে থেকেই ছিল অন্য নামে অন্য সাজে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধে প্রমান পাওয়া যায় নেভি সিলসের। দক্ষ সব সেনা সদস্য বাছাই করে এখানে আনা হয়।
এরা এমনকি মেরিন সেনাদের থেকেও দক্ষ। পুরো ইউএসএ তে নেভি সিলস এর সংখ্যা মাত্র ২০০০ জন। নেভি সিলস এর সব থেকে বড় সাফল্য ‘’নেপচুন স্পেয়ার’’ অপারেশন। সিআইএ গোপন অপারেশনে অংশ নেওয়ার জন্য এই নেভি সিল থেকে লোক নেওয়া হয়। ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের বেশ কিছু অপারেশনে সময় অংশ নেয় নেভি সিল।
১. এসএএস- যুক্তরাজ্য
স্পেশাল এয়ার সার্ভিস বা এসএএস সবথেকে পুরোনো স্পেশাল ফোর্স। ১৯৪১ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকার এসএএস গঠন করে। এসএএস এখনো পর্যন্ত পৃথিবীর সেরা এলিট ফোর্স।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অন্যান্য স্পেশাল ফোর্সগুলো এই এসএএস এর আদলে গঠিত। এসএএস এর প্রতিটি স্কোয়াড্রনে ৬৫ জন করে সেনা সদস্য থাকে এবং প্রতিটি স্কোয়াড্রনের নেতৃত্ব দেয় একজন মেজর। এখানে সদস্য বাছাইয়ে ক্ষেত্রে একজন সদস্যকে অনেক পরীক্ষা পার করে আসতে হয়। তাই বলা যায় সেরাদেরকে বাছাই করে গঠন করা হয় এই এসএএস।
পৃথিবীর বুকে বিচরণ করা ১৫টি দুর্ধর্ষ স্পেশাল ফোর্স -— Weapons Information Blog (@Weaponsinfo) July 22, 2019
রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত নিরাপত্তার জন্য যোগ্য সেনাবাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। বিভিন্ন জরুরী পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত যোদ্ধার সাহায্য দরকার পরে। সারা বিশ্বের প্রায় প্রত্যেক ....
Visit-https://t.co/hLtOEqKgF4 pic.twitter.com/nSI5XJHon2
pub-8239574673521552" data-ad-slot="3317597249">


















Post A Comment: