এবার বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়ে চীন নিজেদের অস্ত্রাগারে যোগ করতে যাচ্ছে নতুন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। নতুন নতুন সাবমেরিন, রণতরী আর যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি এ অস্ত্র চীনের শক্তি আরো বৃদ্ধি করবে।

সম্প্রতি এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে চীন।

অদম্য’, ‘অপ্রতিরোধ্য’ বিশ্বের সমকালীন কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই একে আটকাতে বা ধ্বংস করতে পারবে না। ব্যর্থ হয়ে যাবে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড।

এমনকি রুশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ কিংবা এস-৫০০ও। শব্দের চেয়ে (ঘণ্টায় স্বাভাবিক বেগ ১২৩৬ কিমি.) দশগুণ বেশি গতির এই ক্ষেপণাস্ত্রকে বলা হচ্ছে ‘উড়ন্ত মৃত্যু পরোয়ানা’।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘণ্টায় ১২ হাজার কিমি. বেগে প্রতিপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে চীনের এ ‘মৃত্যু পরোয়ানা’। শনিবার সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ খবর দেয়া হয়েছে।

চলতি সপ্তাহেই চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভয়ঙ্কর অস্ত্রটির চার মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। চায়না মূলত অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোজলি কর্পোরেশন (সিএএসসি) ফুটেজটি প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা ওয়াশিংটনের জন্য স্পষ্ট বার্তা বলে মনে করছেন অনেকেই।

চোঙাকৃতির মতো দেখতে ক্ষেপণাস্ত্রটি নিজের তৈরি করা শব্দের ধাক্কা ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলে অভাবনীয় দ্রুত গতিতে ছুটতে পারে। তাই এর আরেক পরিচয় ওয়েভরাইডার। ডংফেং-১৭ নামে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে এর উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় এর গতিবেগ ছিল ৬ হাজার ৭৯০ থেকে ৭ হাজার ৩৪৪ কিলোমিটার।

অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে ছুড়ে দেয়ার পরই নিজস্ব চলনশক্তি ব্যবহার করে মিসাইল থেকে পৃথক হয়ে যাবে।

অস্ত্র বিশেষজ্ঞ ওই ডংজু বলেন, ওয়েভরাইডারটির উচ্চগতি, নিচু গতিপথ ও মাঝপথে কৌশলতগত দিক বদলানোর ক্ষমতা এটাকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কাছে অপ্রতিরোধ করে তুলেছে।
Share To:

K. Nayeem

Post A Comment: