উসমানীয় খিলাফাতের কেন্দ্রস্থল, বর্তমানে প্রজাতান্ত্রিক তুরস্ক সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বে অন্যতম শক্তিধর দেশ । জনশক্তি, যুদ্ধাস্ত্র, প্রযুক্তি-প্রশিক্ষণ ও সামরিক ব্যয়সহ বিভিন্ন দিক থেকে তুর্কি সামরিক বাহিনী বিশ্বের সেরা বাহিনীগুলোর একটি। ১৯৫২ সাল থেকেই দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য। ২০১৬ সালে দেশটির সামরিক বাজেট ছিল ১ হাজার ৮১৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার ।
চলুন এক নজরে দেখে নেই তুরস্কের সামরিক শক্তির র্যাংকিং:
★ মুসলিম বিশ্বে ১ম
★ মধ্যপ্রাচ্যে ১ম
★ এশিয়ায় ৪র্থ
★ ন্যাটো জোটে ৪র্থ
★ বিশ্বে ৮ম
সংবিধান অনুযায়ী তুর্কি সামরিক বাহিনীর বর্তমান কমান্ডার ইন চিফ বা সর্বাধিনায়ক দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। আর বাহিনীর কার্যক্রম সমন্বয় ও পরিচালনা করেন চিফ অব জেনারেল স্টাফ বা সশস্ত্রবাহিনী প্রধান। গত ১৫ জুলাইয়ের অভ্যুত্থান চেষ্টার সময় চিফ অব স্টাফ জেনারেল হুলুসি আকারকে বিদ্রোহী সেনারা বন্দী করলে দায়িত্ব দেয়া হয় জেনারেল উমিত দানদারকে। এর পর থেকে তিনিই ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া স্থল, নৌ ও বিমান প্রতিটি বাহিনীর একজন করে জেনারেল পদমর্যাদার কমান্ডার ও লেফট্যানেন্ট জেনারেল পদমর্যাদার চিফ অব স্টাফ নিয়োজিত থাকেন। সামরিক বাহিনীর সদর দফতার রাজধানী আঙ্কারায়।
তুর্কি সামরিক বাহিনীর বর্তমান সদস্যসংখ্যা ৪ লাখ ১০ হাজার। আর রিজার্ভ সদস্য রয়েছে আরো ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭০০ জন। আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যসংখ্যা ১ লাখ ৫২ হাজার। সব মিলে দেশটির বর্তমান সামরিক জনশক্তি ৭ লাখেরও বেশি ।
চলুন এক নজরে দেখে নেই তুরস্কের সামরিক শক্তির র্যাংকিং:
★ মুসলিম বিশ্বে ১ম
★ মধ্যপ্রাচ্যে ১ম
★ এশিয়ায় ৪র্থ
★ ন্যাটো জোটে ৪র্থ
★ বিশ্বে ৮ম
সংবিধান অনুযায়ী তুর্কি সামরিক বাহিনীর বর্তমান কমান্ডার ইন চিফ বা সর্বাধিনায়ক দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। আর বাহিনীর কার্যক্রম সমন্বয় ও পরিচালনা করেন চিফ অব জেনারেল স্টাফ বা সশস্ত্রবাহিনী প্রধান। গত ১৫ জুলাইয়ের অভ্যুত্থান চেষ্টার সময় চিফ অব স্টাফ জেনারেল হুলুসি আকারকে বিদ্রোহী সেনারা বন্দী করলে দায়িত্ব দেয়া হয় জেনারেল উমিত দানদারকে। এর পর থেকে তিনিই ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া স্থল, নৌ ও বিমান প্রতিটি বাহিনীর একজন করে জেনারেল পদমর্যাদার কমান্ডার ও লেফট্যানেন্ট জেনারেল পদমর্যাদার চিফ অব স্টাফ নিয়োজিত থাকেন। সামরিক বাহিনীর সদর দফতার রাজধানী আঙ্কারায়।
তুর্কি সামরিক বাহিনীর বর্তমান সদস্যসংখ্যা ৪ লাখ ১০ হাজার। আর রিজার্ভ সদস্য রয়েছে আরো ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭০০ জন। আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যসংখ্যা ১ লাখ ৫২ হাজার। সব মিলে দেশটির বর্তমান সামরিক জনশক্তি ৭ লাখেরও বেশি ।
| ধরণ | তুরস্ক |
|---|---|
| আয়তন | ৭,৮৩,৩৫৬ বর্গকিলোমিটার |
| মোট জনসংখ্যা | ৮ কোটি ১২ লাখ ৫৭ হাজার ২৩৯ জন |
| জনশক্তি | ৪ কোটি ১৮ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৮ জন |
| জিডিপি | ৭৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার |
| মাথাপিছু আয় | ৯ হাজার ৫৬২ মার্কিন ডলার |
| সক্রিয় সেনা | ৪ লক্ষ ১০ হাজার |
| রিজার্ভ সেনা | ১ লক্ষ ৮৫ হাজার |
| বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেট | ৮৬০ কোটি মার্কিন ডলার |
| পারমাণবিক অস্ত্র | নেই |
| ট্যাংক | ৩ হাজার ২০০ টি |
| সাঁজোয়া যান | ৯ হাজার ৫০০ টি |
| স্বয়ংক্রিয় আর্টিলারি | ১ হাজার ১২০ টি |
| তোয়ানো আর্টিলারি | ১ হাজার ২৭২টি |
| রকেট প্রজেক্টর | ৩৫০ টি |
| সামরিক বিমান | ১ হাজার ৬৭টি |
| যুদ্ধবিমান | ২০৭টি |
| পরিবহন কাজে ব্যবহৃত বিমান | ৮৭ টি |
| প্রশিক্ষণ বিমান | ২৮৯টি |
| অ্যাটাক বিমান | ২০৭টি |
| হেলিকপ্টার | ৪৯২টি |
| অ্যাটাক হেলিকপ্টার | ৯৪টি |
| বিমান বন্দর | ৯৪টি |
| মোট সাবমেরিন | ১২ টি |
| নৌবাহিনীর মোট জাহাজ | ১৯৪টি |
| বিমানবাহী রণতরী | নেই |
| দ্রুতগামী যুদ্ধজাহাজ (ফ্রিগেট) | ১৬টি |
| ডেস্ট্রয়ার | নেই |
| করভেটস্ (রণতরী) | ১০টি |
| পেট্রোল ভ্যাসেলস (টহল জাহাজ) | ৩৪ টি |
| মা্ইন ওয়ারফেয়ার | ১১ টি |
| ক্ষেপণাস্ত্র | বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাশিয়ার এস ৪০০ ক্ষেপনাস্ত্র ব্যবস্হা এখন তুরস্কেরও |
তুরস্কে বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল হচ্ছে কনজারভেটিভ মতাদর্শী জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি)। বর্তমান প্রেসিডেন্ট রজব এরদোগানের তুমুল জনপ্রিয়তা রয়েছে মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া,পূর্ব আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামপন্থী ও নিপীড়িত মানুষের মাঝে,যাকে নব্য-উসমানীয় খলিফা বলে অভিহিত করেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক!
সৌদি বা ইরানের মত মোড়লরা যখন ইয়েমেন-সিরিয়ার নিরস্ত্র মুসলিমদের ওপর বোমাবাজিতে ব্যস্ত, হয়তো তখনই এরদোগানের ফ্লোটিলা ছুটে যায় মেসিডোনিয়া অথবা বার্মার নিপীড়িত মানুষের মাঝে! কেমালিস্ট নেতাদের দুঃশাসনের যুগ কাটিয়ে তুরস্ক আজ আবার ফিরতে শুরু করেছে তার গৌরবময় অতীতের পথ ধরে! এই পথচলায় আদনান মেন্ডারিস,বদিউজ্জামান নুরসী, রজব এরদোগানরা ফিরে আসুক বাববার তুরস্কের মাটিতে।


Post A Comment: